100 GB Free Backup
This post has been seen 162 times.

গোলাম সাদত জুয়েল, ফ্লোরিডা ) আমেরিকা থেকেঃ  আমাদের স্বাধীনতা ৪৫ বছর পুর্ন হচেছ যখন জাতি হিসাবে আমরা যুদ্বাপরাধীদের বিচার করতে  পেরেছি । কতটা গ্লানি ছিল আমাদের জাতির নিকট, যুদ্বাপরাধীরা মন্ত্রী ও এম পি হয়ে দাপিয়ে বেড়ালো স্বাধীন বাংলাদেশে । স্বাধীনতা বিরোধীদের যারা এ দেশে রাজনীতি করার সুযোগ দিয়েছিল, যারা তাদের এম পিও মন্ত্রী বানিয়েছিল তাদের বিচার আজ সময়ের দাবী । আজ শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সম্পুর্ন জাতি এক্যবদ্ব  ।  ৯৬ সালে যখন শেখ হাসিনা সরকার গঠন করেছিলেন তখন তিনি চালু করেছিলেন  মুক্তিযোদ্বার মারা গেলে রাষ্ট্রিয় সম্মান পাবে  যা আজ্ও চালু রয়েছে । শেখ হাসিনা মুক্তিযোদ্বাদের মান মর্যাদা ও ভাতা বৃদ্বি করে তাদের সম্মানিত করেছন । আজ এক একজন মুক্তিযোদ্বা সর্বোচছ ১০ হাজার টাকা ভাতা পাচেছন তা ছাড়াও মুক্তিযোদ্বা সম্মানের স্থানে অভিষ্টিত । অথচ একটি বিতকিৃত রাজনৈতিক দলের পৃষ্টপোষকতায় রাজাকারদের পুনবার্সিত করা হয়েুছিল । বিতকিৃত দল টি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল কারন তারা বলে সেক্টর কমান্ডার জিয়াউর রহমান তাদের দলের প্রতিষ্টিাতা অথজ তারা বাংলাদেশের চিহ্তি রাজাকার দের  এম পি ও মন্ত্রী বানিয়েছিল । তাদের দলের হাজার হাজার মুক্তিযোদ্বাদের তারা অপমান করেছিল ।  তারা চিহ্নিত রাজাকার সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীকে ওআইসির মহাসচিব বানানোর জন্য রাষ্ট্রিয় কোষাগার থেকে মিলিয়ন ডলার খরচ করেছিল তাদেরও আজ বিচার হওয়া উচিত । স্বাধীনতা ৪৫ তম বছরে আজ সময় হয়েছে  এ সব কিছুর বিচার হবার । বেগম খালেদা জিয়া কে ইতিহাস বিকৃতির জন্য কাঠগডায় দাড়াতে হবে । ৭৫ পরবর্তি সাল থেকে ৯৬ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশে যা যা ঘটেছে আবার ২০০১ সাল থেকে ২০০৬ পর্যন্ত বাংলাদেশের ইতিহাসকে বিকৃত করা ও রাজাকার দের বাংলাদেশের মাটিতে পুনর্বাসনের জন্য বেগম খালেদা জিয়া ও তার দলকে বিচারের কাঠগড়ায় দাড় করানো উচিত । পাঠ্যপুস্তকে বিকৃতি ইতিহাস রচনা করে প্রায় ২৬ বছর জাতিকে অন্ধকারে নিমজ্জিত করেছিল বেগম খালেদা জিয়ার সরকার ।

গন আদালত থেকে গনজাগরন মঞ্চ :

সৈরাচার বিরোধী আন্দোলরেন পর ক্ষমতায় আসে বিএনপি , তখন স্বাধীনতা বিরোধীদের বিচার করার জন্য শহীদ জননী জাহানারা ইমামের নেতৃত্বে দেশ ব্যাপী গনজাগরন তৈরী হয় । বিশেষ করে স্বাধীনতার স্বপক্ষের শক্তি সরকারকে চাপ প্রয়োগ করে রাজাকা আলবদর দের বিচার করার জন্য । দেশের ৬৪ জেলায ও সবগুলো  উপজেলায় গন জাগরন শুরু হয় ,সরকার আহবান জানানো হয় দেশ বিরোধীদের বিচার করার জন্য , তখন সংসদের বিএনপির সাথে জোট হয়ে জামায়াতের বেশ কয়েকজন  এম পি হয়ে গেছে । আন্দোলন দানা বেধে চুরান্ত রুপ লাভ করে , মুক্তিযোদের স্বপক্ষের সব গুলো রাজনৈতিক দলগুলো ঘাতক দালাল নির্মুল কমিটির ব্যানারে এক হয়ে যায় । বাংলাদেশে আওয়ামী লীগ তখন বিরোধীদলে শেখ হাসিনার সমর্থনে ঘানানিকের সাথে আওয়ামী সমর্থন জানায় । ঘাতক দালাল নিমুল কমিটি সারা দেশে জনমত গঠন করে আন্দোলন চুড়ান্ত রুপ লাভ করে গনআদালতে গোলাম আজম , নিজামীদের বিচার করে । ঢাকায় লাখ মানুষের সম্পুখে গোলাম আজমের ফাসির রায় ঘোষনা করা হয় । বাংলাদেশের শীর্ষস্তানীয় বুদ্বিজীবী , আইনজীবি, শিক্ষক,রাজনীতিবিদ দের নিয় ঘাদানিকের গন আদালতে গোলাম আজমের ফাসি ঘোষনা করা হয় । ত্যকালীন সময়ে রাষ্ট্রক্ষমতায় বেগম খালেদা জিয়া জন রোশ থেকে বাচাতে গোলাম আজমকে প্রটেকশর প্রদান করেন ।  গনআদালরে রায় সারা দেশের মানুষ মুক্তমনে গ্রহন করেন । অথচ ত্যকালীন খালেদা জিয়ার সরকার গন আদালতের সাথে সংশ্লিষ্ট ২৪ জন বিশিষ্ট বুদ্বিজাীবির বিরুদ্বে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা দায়ের করেন । শহীদ জননী জাহানারা ইমাম রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা মাথায় নিয়ে ই মুত্যু বরন করেন ।

২০০৯ সালে শেখ হাসিনার সরকার সরাকর গঠন করার পর ঘাতক দালাল ও মুক্তিযোদ্বের বিরোধীদের বিচার শুরু করেন । আন্ত:জাতিক ট্রাইবুন্যাল তৈরী করে বিচার শুরু করেন । প্রথম দিকে বিরোধীরা ট্রাইবু্নালের মান নিয়ে অভিযোগ করলে পরে আস্তে আস্তে তার মান তারা মেনে নেন । বর্তমানে  শীর্ষস্থানীয় ৬ জন যুদ্বাপরাধীদের বিচার সুষ্টভাবে সম্পন্ন হল । কাদের মোল্লার বিচার দিয়ে যুদ্বাপরাধীদের বিচার শুরু হয়েছিল , কাদের মোল্লার বিচারের রায়ে প্রথম দিকে ফাসি না হওয়ায় গনজাগরন মঞ্জ তৈরী হয় ।  ফেসবুকের একটি একটিভ গ্রুপ কাদের মোল্লার রায়ে ফাসি না হওয়ায় তারা সেদিন শাহবাগে সন্ধ্যায় জড়ো হয়েছিল । প্রথমে শ খানেক অনলাইন একটিভিষ্টে এ  প্রতিবাদে থাকলে পরবর্তিতে তা হাজার লাখ ছাড়িয়ে যায়, যুদ্বাপরাধীদের রাষ সব্বোচচ ফাসির দাবীতে গনজাগরন শুরু হয় । দিন যায মাস যায় এ রকম প্রায় দুমাস রাত দিন শাহবাগে নতুন প্রজন্ম অবস্থান নেয় । যুদ্বাপরাধীদের বিচার তরান্বিত করার সামাজিক আন্দোলন সারা দেশে ছড়িযে পড়ে, ভীত হয়ে পড়ে জামায়াত ও শিবিরের ক্যাডাররা শুরু হয় মুক্তমনের মানুষদের উপর আক্রমন । এক নিরব বিপ্লবের উপর প্রতিবিপ্লব শুরু হয় । শেখ হাসিনা ও মহাজোট সরকার গনজাগরনকে শেল্টার দিতে থাকেন । আস্তে আস্তে সাধারন মানুষের মধ্যে দীর্ঘ ২৬ বছরের ভুল ইতিহাস মুছে যায় । সাধারন জনগন জামায়াত ও তার দোসরদের আস্তাকুড়ে ছুড়ে মারে । মানুষ স্বাধীনতা ইতিহাস জানতে শুরু করে । যুদ্বাপরাধেরি বিচার দ্রুত গতি লাভ করে । দেশের শীর্ষস্থানীয় ৬ জন কুখ্যাত রাজাকার এর ফাসি কার্যকরতা লাভ করে ।  স্বাধীনতার ৪৫ তম বছরে বাংলাদেশের শত অর্জনের মধ্যে সবচেয়ে বড় অর্জন  যুদ্বাপারীদের বিচার যা বিশ্ব ইতিহাসে স্থান করে নিয়েছে অনন্য রেকড হিসাবে । আজ জামায়াত ও ছাত্র শিবির যারা এ দেশের মুক্তমনা মানুষদের উপর দাপিয়ে বেড়াত তারা  ইতিহাসের আস্তাকুড়ে নিক্ষেপিত হয়েছে ।

গনআদালতের সাথে সংশ্লিষ্ট অনেকেই বেচে নেই কিন্তু তাদের আণ্দোলন আজ বাস্তবে রুপ লাভ করেছে । আজ আবার পুরনায় জাতির জনক শেখ মুজিব ইতিহাসে পাতায় স্বমহিমায় স্তান করে নিয়েছেন । যারা শেখ মুজিবের অবদান কে খাট করে দিয়েছিল আজ সময়ের আবর্তে শেখ মুজিব সব মানুষের অন্তরে স্তান করে নিয়েছেন । ৭৫ পরবর্তি সরকার গুলো শেখ মুজিবের সব অবদান মুছে ফেলে দিয়েছিল । অথচ শেখ মুজিব না হলে বাংলাদেশ হত না । আজ শেখ হাসিনার মহাজোট সরকার মুক্তিযোদ্বের চেতনাকে ফিরিয়ে এনেছেন । মুক্তিযোদ্বাদের অবদান স্বীকার করে তাদের যথাযথ মুল্যায়ন করা হয়েছে ।  বাংলাদেশের উন্নয়ন আজ বিশ্বের দরবারে প্রশংসনীয় , শেখ হাসিনা তার দৃঢতায় যুদ্বপারাধীদের বিচারে কোন রকরম ছাড় দিচেছন না । যুদ্বাপরাধীরা মিলিয়ন মিলিয়ন ডলার খরচ করেও বিচারকে প্রভাবিত করতে পারেনি । শেখ হাসিনা ও তার সরকার বিচারকে সুষ্ট সম্পাদনের ব্যব্স্থা করে বিশ্বে প্রর্শংসিত হয়েছেন ।

আজ স্বাধীনতা ৪৫ বছরে বাংলাদেশ  দেরীতে হলেও একটি শক্ত অবস্থানে । অথচ যা আজ থেকে ২০ বছর আগে হবার কথা ছিল । আজ বিশ্বের অনেক দেশের কাছে বাংলাদেশ উদাহরন ।  গত ৭ বছরে শেখ হাসিনার সরকারের যুগা্ন্তকারী ‍উন্নয়ন ও সঠিক নেতৃত্ব বাংলাদেশকে তার অভিষ্ট লক্ষ্য পৌছাতে সক্ষম হয়েছে । স্বাধীনতার চেতনা ও গৌরবগাথা নতুন প্রজন্ম ধারন করেছে । মুক্তিযোদ্বের স্বপক্ষের শক্তিগুলো আজ সঠিক ইতিহাস তুলে নতুন প্রজন্মকে জাগাতে সক্ষম হয়েছে । স্বাধীনতা বিরোধীরা আজ সমাজের আস্তাকুড়ে স্তান নিযেছে । তারপর জঙ্গী নামের আড়ালে  এক অজানা অপশক্তি দেশকে অশান্ত করার পায়তারা করে, কিন্তু আইন শংখলা বাহিনী তাদের সমুলে উপড়ে ফেলার দৃঢ সংকল্পবদ্ব ।

বাংলাদেশ স্বাধীনতার ৪৫ বছরে   আজ সঠিক পথে হাটছে । বাংলাদেশ  এগিয়ে যাচেছ, ৫ কোটি নতুন প্রজন্ম বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দিচেছ । তাদের হাতে আগামীর বাংলাদেশ । বাংলাদেশ মরহুম শেখ মুজিবের সোনার বাংলায় রুপ নিচেছ । আসুন বাংলাদেশ এগিয়ে নিতে আমার দায়িত্ব আমি পালন করি ।।

গোলাম সাদত জুয়েল : সাংবাদিক-কলামিষ্ট ( ফ্লোরিডা ) আমেরিকা।

http://jugapath.com/wp-content/uploads/2016/12/16.jpghttp://jugapath.com/wp-content/uploads/2016/12/16-150x150.jpgjugapathকলামশিল্প-সাহিত্যসম্পাদকীয়গোলাম সাদত জুয়েল, ফ্লোরিডা ) আমেরিকা থেকেঃ  আমাদের স্বাধীনতা ৪৫ বছর পুর্ন হচেছ যখন জাতি হিসাবে আমরা যুদ্বাপরাধীদের বিচার করতে  পেরেছি । কতটা গ্লানি ছিল আমাদের জাতির নিকট, যুদ্বাপরাধীরা মন্ত্রী ও এম পি হয়ে দাপিয়ে বেড়ালো স্বাধীন বাংলাদেশে । স্বাধীনতা বিরোধীদের যারা এ দেশে রাজনীতি করার সুযোগ দিয়েছিল, যারা...

Comments

comments