প্রচ্ছদ


অবৈধ ঔষধের দোকানে তল্লাশী অভিযান

13 January 2016, 00:53

নিজস্ব প্রতিবেদক
This post has been seen 2165 times.

farmecysylhetmediaমঙ্গলবার দুপুর ১২.০০ ঘটিকা হতে ৩.০০ ঘটিকা পর্যন্ত ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের উদ্যেগে সহকারী পরিচালক জনাব মোঃ আসরাফ হোসেন এর নেতৃত্বে ঢাকাস্থ মহাখালী এলাকায় অবস্থিত মেসার্স সাফি ফার্মা, প্রোঃ আব্দুল মোতালেব, ঠিকানা-এইচ ১৮/১, নূর প্লাজা (দ্বিতীয় তলা), নিউ এয়ারপোর্ট রোড, মহাখালী, ঢাকা এবং মেসার্স অ আ ফার্মেসী, প্রোঃ জসীমউদ্দিন, ঠিকানা-এইচ ১৮/৩, নূর প্লাজা (দ্বিতীয় তলা), নিউ এয়ারপোর্ট রোড, মহাখালী, ঢাকা নামীয় ০২ (দুই) টি অবৈধ ঔষধের দোকানে তল্লাশী অভিযান পরিচালনা করা হয়। উক্ত ঔষধের দোকানগুলো দীর্ঘদিন যাবৎ ঔষধ প্রশাসনের ড্রাগ লাইসেন্স ব্যতীত অবৈধভাবে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিল। ঔষধের দোকানগুলোতে বিভিন্ন ধরণের নকল, ভেজাল, মিসব্রান্ডেড, ক্ষতিকর ও অনুমোদনবিহীন ঔষধ পাওয়া যায় তন্মধ্যে- প্যাকটিন ট্যাবলেট (ক্ষুধা ও রুচিবর্ধক), পেরাকটিন ট্যাবলেট (ক্ষুধা ও রুচিবর্ধক), ক্লোফেমল ট্যাবলেট (ব্যথানাশক), সিজেডইডিই ট্যাবলেট (সর্দি ও ঠান্ডাজনিত রোগ), নিমিরিল-১০০ ট্যাবলেট (ব্যথানাশক), নিমস-পি ট্যাবলেট (ব্যথানাশক), রেক্সিন ট্যাবলেট, ডিকলো-এম ট্যাবলেট, ফিউরোক্সোন ট্যাবলেট (এ্যান্টি-বায়োটিক), ভভিরিড ট্যাবলেট (ব্যথানাশক), আই-পিল ট্যাবলেট (গর্ভনিরোধক), বেটনোভেট-সি ক্রিম (এ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরী ক্রিম), বেটনোভিট-এন ক্রিম (এ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরী ক্রিম), ইটচ গার্ড ক্রিম (এ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরী ক্রিম), রিং গার্ড ক্রিম (এ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরী ক্রিম), বার্নল ক্রিম (এ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরী ক্রিম), মুভ ক্রিম (ব্যথানাশক ও প্রদাহ), হলি মুনইশ ক্যাপসুল (যৌন উত্তেজক), ভিটা-সি ট্যাবলেট (ফুড-সাপ্লিমেন্ট), সেন্ট্রাম গোল্ড ট্যাবলেট (ফুড-সাপ্লিমেন্ট) উল্লেখযোগ্য। উক্ত নকল, ভেজাল, মিসব্রান্ডেড, ক্ষতিকর ও অনুমোদনবিহীন ঔষধগুলো জব্দ করা হয় যার আনুমানিক বাজার মূল্য প্রায় ০৩ (তিন) লক্ষ টাকা। ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের অনুমোদন ব্যতীত অবৈধভাবে ব্যবসা পরিচালনা করা ও নকল, ভেজাল, মিসব্রান্ডেড, ক্ষতিকর ও অনুমোদনবিহীন ঔষধ বিক্রির উদ্দেশ্যে মওজুদ ও সংরক্ষণের দায়ে ঔষধের দোকান ০২(দুই) টির মালিকদের বিরুদ্ধে দি ড্রাগস (কন্ট্রোল) অর্ডিন্যান্স, ১৯৮২ এর ৫(১) ও ১৬ ধারায় ড্রাগ কোর্টে নিয়মিত মামলা দায়ের করার প্রস্তুতি চলছে।

উল্লেখ্য যে, জব্দকৃত নকল, ভেজাল, মিসব্রান্ডেড, ক্ষতিকর ও অনুমোদনবিহীন ঔষধ জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক হুমকিস্বরূপ। ডাক্তারের ব্যবস্থাপত্র ব্যতীত এ ধরণের ঔষধ সেবন করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। দীর্ঘদিন ধরে এ ধরণের মানহীন ঔষধ সেবনের কারণে রোগীদের কিডনী, পাকস্থলী ও লিভারের কার্যকারিতায় ব্যঘাট সৃষ্টি হতে পারে। জনসাধারন কোনভাবেই ডাক্তারের ব্যবস্থাপত্র ব্যতীত যেখান-সেখান থেকে কোন ধরণের ঔষধ ক্রয় করা উচিত নয়। অভিযানে আরো উপস্থিত ছিল ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের ঔষধ তত্ত্বাবধায়ক মোহাম্মদ নাঈম গোলদার, সৈকত কুমার কর, মাহবুব হোসেন, মোঃ অজিউল্লা ও মোঃ মনির উদ্দিন আহমেদ।



Shares