প্রচ্ছদ


আদর্শ মানুষ তৈরি করতে হবে : শিক্ষামন্ত্রী

11 January 2018, 16:40

নিজস্ব প্রতিবেদক
This post has been seen 218 times.

শিক্ষার গুণগতমান বৃদ্ধি করা বর্তমান সরকারের অন্যতম লক্ষ্য এবং আদর্শ জাতি গঠনে নৈতিক শিক্ষা খুবই জরুরী বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের নৈতিক মূল্যবোধসম্পন্ন ও সমাজের প্রতি দায়বদ্ধ আদর্শ মানুষ হিসেবে তৈরি করতে হবে।

মন্ত্রী আজ ঢাকার আশুলিয়ায় ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (ডিআইইউ) এর ৭ম সমাবর্তনে ইউনিভার্সিটির চ্যান্সেলর রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের প্রতিনিধি হিসেবে সভাপতিত্বকালে এ কথা বলেন্।

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে মন্ত্রী বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্জিত জ্ঞান কাজে লাগিয়ে গবেষণার মাধ্যমে নতুন তথ্য ও প্রযুক্তি উদ্ভাবন করতে হবে, যা বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশকে বিশ্ব দরবারে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে সহায়তা করবে। বক্তব্যের শুরুতেই শিক্ষামন্ত্রী ১০ জানুয়ারি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসের স্মরণ করেন এবং তাঁর লক্ষ্য বাস্তবায়নের প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আমরা সরকারি বা বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকারী ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে কোন পার্থক্য করি না। সকলেই আমাদের সন্তান এবং তাদের সকলের জন্যই আমরা মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে চাই। কিছু বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় এখনও তাদের নূন্যতম শর্ত পূরণ করতে পারেনি। যে সকল বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় নির্ধারিত শর্ত পূরণ করতে ব্যর্থ হয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ ছাড়া তারা আর কোন পথ খোলা নেই। এসময় তিনি সংশ্লিষ্ট সবাইকে ব্যবসা ও মুনাফার চিন্তা ত্যাগ করে জনকল্যাণে, সেবার মনোভাব ও শিক্ষার জন্য অবদান রাখার দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে এগিয়ে আসার আহবান জানান।

শিক্ষামন্ত্রী আরো বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সাথে ডিআইইউ চুক্তির মাধ্যমে শিক্ষক ও ছাত্রছাত্রীরা এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রামে যেতে পারছেন। শিক্ষার মানোন্নয়নের ক্ষেত্রে এরকম পদক্ষেপ সত্যিই আশাব্যঞ্জক। তিনি বলেন, কৃষিভিত্তিক প্রসেসড ফুডসের জন্য দক্ষ জনশক্তি তৈরি করতেও এ বিশ্ববিদ্যালয় অবদান রাখছে। এসময় তিনি বাংলাদেশ এগ্রো-প্রসেসর এসোসিয়েশনের সাথে এমওইউ স্বাক্ষর করায় ড্যাফোডিল কর্তৃপক্ষকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান। ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠনে প্রশংসনীয় ভূমিকার উল্লেখ করেন।

সমাবর্তনে আরো বক্তব্য রাখেন বিশ^বিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আব্দুল মান্নান, ডিআইইউ ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. ইউসুফ মাহবুবুল ইসলাম এবং ইউনিভার্সিটির ট্রাষ্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান মো: সবুর খান। সমাবর্তন বক্তা ছিলেন ইন্টারন্যাশনাল এসোসিয়েশন অব ইউনিভার্সিটি প্রেসিডেন্টস-এর সভাপতি এবং জর্জিয়ার ককেসাস ইউনিভার্সিটির প্রেসিডেন্ট ড. কাখা শিঙ্গেলিয়া (উৎ. কধশযধ ঝযবহমবষরধ),

সমাবর্তনে ৩ হাজার ৪৯৮ জন নবীন গ্র্যাজুয়েট সনদ লাভ করেন। সমাবর্তনে পাঁচ জন কৃতী গ্র্যাজুয়েটকে চ্যান্সেলর স্বর্ণপদক প্রদান করেন শিক্ষামন্ত্রী। এছাড়াও অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী কৃতিত্বপূর্ণ ফলাফল অর্জনকারী ১৫ জ্ন গ্র্যাজুয়েটকে স্বর্ণপদক প্রদান করেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে মন্ত্রী সমাবর্তন শোভাযাত্রার নেতৃত্ব দেন।


Shares