প্রচ্ছদ


ধ্যানে মনে দেবী সরস্বতী

17 January 2018, 19:12

বিমল কর
This post has been seen 237 times.

বিমল করঃ মাঘ মাসের শুক্লা পঞ্চমীর দিনটি পরম শ্রদ্ধা ভকতির দিন।হিন্দুদের প্রতি ঘরের লেখা পড়ার শিক্ষার্থীরা এই দিনটির অপেক্ষায় থাকে।ঐ দিনে সরস্বতী দেবীর মন্ত্র নিজ মুখে উচ্চারিত না করলে যেন বিদ্যা থেকে পিছিয়ে পড়া হবে।দেবীর চড়নে পুষ্পাঞ্জলি নিবেদন না করলে জ্ঞান লাভের বাসনার শুভ সূচনা হবেনা।এটা যেমন পারিবারিক শিক্ষা তেমনি সামাজিক শুদ্ধ আচার অনুষ্ঠানও।
শিশু কিশর যুবকরা শুধু নয় নিয়ম মেনে বড়রাও শ্রী শ্রী সরস্বতীপূজায় সমান তালে তাল রেখে শুচি মনে পবিত্রতা রক্ষা করে চলেছেন।দেবীর ছোট বড় রুপ অরুপ খোঁজেনা কেউ।
সবাই খোঁজে সেই চিরচেনা সরস্বতী কে। গন্ধ পুষ্পে পুষ্পাঞ্জলি প্রদানে প্রণাম।সম্মিলিত ভাবে এ মন্ত্রের যেন স্বাদ মিটে না।
ওঁ সরস্বতী মহাভাগে বিদ্যে কমল লোচনে।
বিশ্বরূপে বিশালাক্ষী বিদ্রাং দেহি নমোহস্ততে।।
এতো তৃপ্তির স্তোত্র যেন আর কোথাও নেই।ব্রম্মা বিষ্ণু মহেশ্বরকে স্মরণ করে দেবীর কয়েকটি নাম বলেই প্রণাম।এ যেন শোভিত মুক্তাহার। জ্ঞানি পন্ডীতেরা দেবীর নাম দিয়ে বহু স্তোত্র তৈরি করেছেন কিন্তু তেমন সারা ফেলতে পারেননি।
যেখানে সরস্বতীর পূজা শ্রীকৃষ্ণ প্রথম পূজা করেন সেখানে অন্য কেউতো পিছিয়ে থাকারতো কথাই নেই।সরস্বতী মাহাত্ম্যে আছে যে
যাহার প্রসাদে মূর্খ হয় জ্ঞানবান
সেই বাণী জন্ম কথা শুন মতিমান।
সেই হলেন
শুভাবর্ণা হাস্যমনা অতি মনোহরা
রতন ভূষণ দেবী সর্ব অঙ্গ ধরা
দেবী সরস্বতী।
দেখা যায় পূর্বকালে ভাগীরথী তীরে শ্রী শ্রী নারায়ন বাল্মিকী ঋষিকে দেবী সরস্বতীর মন্ত্র দিয়েছিলেন।যাতে শুক্লা পঞ্চমীতে দেবীর পূজা করে চন্দ্রকলা সম তার জ্ঞান বিদ্যা বাড়াতে পারে। তাই নর নারী উভয়েই সরস্বতী পূজায় সম্মিলিত অংশ গ্রহণে লেখাপড়া রত সবাই অচর্না করে চলেছেন।
সরস্বতী দেবীর শতনামেও হ্রদয় কমলে শ্রদ্ধায় ধারনে তৃপ্তির যোগসূত্র ঘটে।পঞ্চমী তিথিতে দেবী দর্শনের জন্য দেবীর সকল ভক্তবৃন্দ সুবাসিত ধূপ দীপ জ্বেলে নিরন্তর অপেক্ষা করছেন।
দেবীর আবাহনী কীর্তন গাইছেন—
এসো মাগো সরস্বতী জানাই প্রণাম।
বৈকুণ্ঠ ত্যাজিয়া এসো মর্তধাম।।
সেজন্যে সকল শিক্ষার্থীদের অভিভাবকরা সচেতনতায় ধর্মিয় দৃষ্টিভঙ্গ দিয়ে সন্তানদের করণীয় ভক্তি ভাব জাগিয়ে তুলবেন এটাই এ দিনে প্রকৃত সভ্যতার জ্ঞানের আলোর আত্মবিশ্বাসে প্রত্যাশায় বলতে পারি-
জয় জয় বাণী মায়ের আরতি উজ্জল
মহানন্দে নৃত্য করুক ভক্তবৃন্দ দল।
ধ্যানে মনে দেবী সরস্বতী
বিমল কর
মাঘ মাসের শুক্লা পঞ্চমীর দিনটি পরম শ্রদ্ধা ভকতির দিন।হিন্দুদের প্রতি ঘরের লেখা পড়ার শিক্ষার্থীরা এই দিনটির অপেক্ষায় থাকে।ঐ দিনে সরস্বতী দেবীর মন্ত্র নিজ মুখে উচ্চারিত না করলে যেন বিদ্যা থেকে পিছিয়ে পড়া হবে।দেবীর চড়নে পুষ্পাঞ্জলি নিবেদন না করলে জ্ঞান লাভের বাসনার শুভ সূচনা হবেনা।এটা যেমন পারিবারিক শিক্ষা তেমনি সামাজিক শুদ্ধ আচার অনুষ্ঠানও।
শিশু কিশর যুবকরা শুধু নয় নিয়ম মেনে বড়রাও শ্রী শ্রী সরস্বতীপূজায় সমান তালে তাল রেখে শুচি মনে পবিত্রতা রক্ষা করে চলেছেন।দেবীর ছোট বড় রুপ অরুপ খোঁজেনা কেউ।
সবাই খোঁজে সেই চিরচেনা সরস্বতী কে। গন্ধ পুষ্পে পুষ্পাঞ্জলি প্রদানে প্রণাম।সম্মিলিত ভাবে এ মন্ত্রের যেন স্বাদ মিটে না।
ওঁ সরস্বতী মহাভাগে বিদ্যে কমল লোচনে।
বিশ্বরূপে বিশালাক্ষী বিদ্রাং দেহি নমোহস্ততে।।
এতো তৃপ্তির স্তোত্র যেন আর কোথাও নেই।ব্রম্মা বিষ্ণু মহেশ্বরকে স্মরণ করে দেবীর কয়েকটি নাম বলেই প্রণাম।এ যেন শোভিত মুক্তাহার। জ্ঞানি পন্ডীতেরা দেবীর নাম দিয়ে বহু স্তোত্র তৈরি করেছেন কিন্তু তেমন সারা ফেলতে পারেননি।
যেখানে সরস্বতীর পূজা শ্রীকৃষ্ণ প্রথম পূজা করেন সেখানে অন্য কেউতো পিছিয়ে থাকারতো কথাই নেই।সরস্বতী মাহাত্ম্যে আছে যে
যাহার প্রসাদে মূর্খ হয় জ্ঞানবান
সেই বাণী জন্ম কথা শুন মতিমান।
সেই হলেন
শুভাবর্ণা হাস্যমনা অতি মনোহরা
রতন ভূষণ দেবী সর্ব অঙ্গ ধরা
দেবী সরস্বতী।
দেখা যায় পূর্বকালে ভাগীরথী তীরে শ্রী শ্রী নারায়ন বাল্মিকী ঋষিকে দেবী সরস্বতীর মন্ত্র দিয়েছিলেন।যাতে শুক্লা পঞ্চমীতে দেবীর পূজা করে চন্দ্রকলা সম তার জ্ঞান বিদ্যা বাড়াতে পারে। তাই নর নারী উভয়েই সরস্বতী পূজায় সম্মিলিত অংশ গ্রহণে লেখাপড়া রত সবাই অচর্না করে চলেছেন।
সরস্বতী দেবীর শতনামেও হ্রদয় কমলে শ্রদ্ধায় ধারনে তৃপ্তির যোগসূত্র ঘটে।পঞ্চমী তিথিতে দেবী দর্শনের জন্য দেবীর সকল ভক্তবৃন্দ সুবাসিত ধূপ দীপ জ্বেলে নিরন্তর অপেক্ষা করছেন।
দেবীর আবাহনী কীর্তন গাইছেন—
এসো মাগো সরস্বতী জানাই প্রণাম।
বৈকুণ্ঠ ত্যাজিয়া এসো মর্তধাম।।
সেজন্যে সকল শিক্ষার্থীদের অভিভাবকরা সচেতনতায় ধর্মিয় দৃষ্টিভঙ্গ দিয়ে সন্তানদের করণীয় ভক্তি ভাব জাগিয়ে তুলবেন এটাই এ দিনে প্রকৃত সভ্যতার জ্ঞানের আলোর আত্মবিশ্বাসে প্রত্যাশায় বলতে পারি-
জয় জয় বাণী মায়ের আরতি উজ্জল
মহানন্দে নৃত্য করুক ভক্তবৃন্দ দল।


Shares