প্রচ্ছদ


বিজ্ঞানীদের প্রতি আহবান জানান রাষ্ট্রপতি

12 February 2018, 09:31

নিজস্ব প্রতিবেদক
ফাইল ছবি
This post has been seen 253 times.

রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ কৃষি ও প্রাণিসম্পদ খাতের অব্যাহত অগ্রগতি নিশ্চিত করতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব মোকাবেলায় নতুন নতুন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে মনোযোগী হতে গবেষক ও বিজ্ঞানীদের প্রতি আহবান জানান।
রাষ্ট্রপতি গতকাল  চট্টগ্রাম ভেটেরিনারী ও এনিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যায়ের (সিভিএএসইউ) প্রথম সমাবর্তনে ভাষণকালে বলেন, বিশ্বব্যাপী জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব ইতোমধ্যে আমাদের কৃষিতে পড়তে শুরু করেছে। এ ছাড়া অপরিকল্পিতভাবে রাসায়নিক সার ও কীটনাশকের ব্যবহার মৎস্য ও প্রাণিসম্পদের ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলেছে।
তিনি এ ক্ষেত্রে বিশেষায়িত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অগ্রণী ভূমিকার কথা উল্লেখ করে বলেন, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে আবিষ্কারের ফল ব্যবহারকারীদের হাতে পৌঁছে দিতে হবে।
রাষ্ট্রপতি মুক্তিযুদ্ধ ও দেশপ্রেমের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে অগ্রসর ও মেধাভিত্তিক এবং জ্ঞান-বিজ্ঞানে সমৃদ্ধ জাতি গঠনে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের গুরুত্বপূর্ণ অবদান অব্যাহত রাখার আহবান জানান।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ আজ সম্ভাবনার এক উজ্জ্বল সময় অতিক্রম করছে। এই পথযাত্রায় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে তরুণদের সুশিক্ষিত ও দক্ষ মানবসম্পদে রূপান্তরের গুরুদায়িত্ব পালন করতে হবে।
জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির লক্ষ্যে শিক্ষাকে গণমানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছাতে হবে উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের প্রায় প্রতিটি সূচকে সাফল্যের স্বাক্ষর রেখে আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে বাংলাদেশ আজ উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে নন্দিত। আমরা ইতোমধ্যে নি¤œ-মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হয়েছি এবং ২০২১ সালের মধ্যে মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হব।
রাষ্ট্রপতি প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার পাশাপাশি শিক্ষকদের আধুনিক জ্ঞানভিত্তিক শিক্ষা অর্জন এবং গবেষণা ও সৃজনশীল কর্মকান্ডে সম্পৃক্ত হতে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে পদক্ষেপ নেয়ার আহবান জানান।
তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ তৈরিতে বন্ধুত্বপূর্ণ ছাত-শিক্ষক সম্পর্ক কার্যকর ভূমিকা পালন করে। এ জন্য শিক্ষকদের হতে হবে ¯েœহপ্রবণ ও অভিভাবকতুল্য।
রাষ্ট্রপতি নবীন গ্রাজুয়েটদের সেবা, সততা, নিষ্ঠা ও দেশপ্রেম দিয়ে সনদের মান সমুজ্জ্বল রাখার আহবান জানিয়ে তাদের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘অন্যায় ও অসত্যের কাছে কখনো মাথানত করবে না। বিবেককে বিকিয়ে দেবে না। লাখো শহীদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতাকে আরো অর্থবহ করতে হবে।
অধ্যাপক ড. এ কে আজাদ চৌধুরী ছিলেন সমাবর্তন বক্তা। এতে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবদুল মান্নান এবং সিবিএএসইউ উপাচার্য অধ্যাপক ড. গৌতম বুদ্ধ দাস বক্তৃতা করেন।


Shares