প্রচ্ছদ


গেরিলা বাহিনীর বাদ পড়া সদস্যদের গেজেটভুক্ত করার দাবি

29 March 2018, 14:16

নিজস্ব প্রতিবেদক
This post has been seen 441 times.

সিলেট জেলা সভাপতি সৈয়দ আব্দুল হান্নান
বিশেষ গেরিলা বাহিনীর বাদ পড়া সদস্যদের গেজেটভুক্ত করার দাবি

মুক্তিযুদ্ধের সময় ন্যাপ-কমিউনিস্ট পার্টি-ছাত্র ইউনিয়নের বিশেষ গেরিলা বাহিনীর ২ হাজার ৩৬৭ জনকে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বীকৃতি দেয়ার নির্দেশ দেন মহামান্য হাইকোর্ট। হাইকোর্টের নির্দেশকে অজ্ঞা করে ৫৫৮ জন সদস্যকে এখনো গেজেটভুক্ত না করায় নিন্দা জানিয়েছেন বিশেষ গেরিলা বাহিনীর পক্ষে ন্যাপ কমিউনিস্ট পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সিলেট জেলা সভাপতি সৈয়দ আব্দুল হান্নান।
বিবৃতিতে তিনি বলেন, ন্যাপ-কমিউনিস্ট পার্টি-ছাত্র ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দ বিশেষ গেরিলা বাহিনী গঠন করে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আহবানে ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশ গ্রহণ করে। বিশেষ গেরিলা বাহিনীকে প্রবাসী মুজিব নগর সরকার, বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বাধিন সরকার সহ প্রতিটি সরকার মহান স্বাধীনতা সংগ্রামে অংশ গ্রহণকারী অন্যতম মুক্তিবাহিনী হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করেছে।
এছাড়াও মহামান্য সুপ্রীম কোর্টের আপীল বিভাগ সিভিল পিটিশন ফর লিভটু আপীল নং- ৩৮৪৬/২০১৬ এর ০৩/০১/২০১৪নং রিট পিটিশনের ০৮/০৯/২০১৬ইং তারিখের বিভাগের রিট পিটিশন নং- ১২০৪/২০১৪ নং রিট পিটিশনের ০৮/০৯/২০১৬ইং তারিখের রায় ও আদেশেও এই বাহিনীকে জাতীয় মুক্তি সংগ্রামের অন্যতম মুক্তিবাহিনী হিসাবে এর ২৩৬৭ জনকে স্বীকৃতি প্রদান করেছে।
এরপরও ৫৫৮ জনকে এখনো স্বীকৃতি প্রদান ও গেজেটভুক্ত করা হয়নি। যা সত্যি দুঃখজনক। বিবৃতিতে সৈয়দ আব্দুল হান্নান অবিলম্বে বাকী ৫৫৮ জনকে বিশেষ গেরিলা বাহিনীর সদস্য হিসাবে স্বীকৃতি প্রদান ও গেজেট ভুক্ত করা জোর দাবী জানান।
উল্লেখ্য, মুক্তিযুদ্ধের পর ১৯৭৩ সালে অনুষ্ঠিত সিপিবির দ্বিতীয় কংগ্রেসের রাজনৈতিক প্রতিবেদন অনুসারে, কমিউনিস্ট পার্টি, ন্যাপ ও ছাত্র ইউনিয়নের যৌথ উদ্যোগে প্রায় ১৭ হাজার তরুণ মুক্তিযোদ্ধা গেরিলা বাহিনী ও মুক্তিবাহিনীতে যোগ দিয়ে সশস্ত্র সংগ্রামে অংশ নেন। এর মধ্যে মুক্তিবাহিনীতে যোগ দেন প্রায় ১২ হাজার, বিশেষ গেরিলা বাহিনীতে ছিলেন প্রায় পাঁচ হাজার। বিজ্ঞপ্তি


Shares