প্রচ্ছদ


সংরক্ষিত ৪৯টি নারী আসনে বিনা-প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত

17 February 2019, 03:15

নিজস্ব প্রতিবেদক
This post has been seen 258 times.

গত ৩ ফেব্রয়রি ঘোষিত তফসিল অনুযাযী ১১ ফেব্রুয়ারি ছিল মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন।  এদিন ৪৯টি সংরক্ষিত নারী আসনের বিপরীতে ৪৯ জন প্রার্থী মনোননয়নপত্র দাখিল করেন। পরে ১২ ফেব্রুয়ারি সংরক্ষিত নারী আসনের সব প্রার্থীর মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে বৈধ ঘোষণা করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা আবুল কাসেম।  শনিবার  প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন হলেও এদিন কোনো প্রার্থী প্রার্থিতা প্রত্যাহার না করায় সবাই বিনা প্রতিদ্বন্দিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। রোববার নির্বাচিতদের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হবে । শনিবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) বিকাল পাঁচটা পর্যন্ত মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিনে কেউ মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার না করায় এবং কোনো আসনে একাধিক প্রার্থী না থাকায় সবাই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় তারা নির্বাচিত হয়েছেন, একাদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে ৪৯ জন নারী সংসদ সদস্য (এমপি) বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন । বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিতদের মধ্যে আওয়ামী লীগের ৪৩ জন, জাতীয় পার্টির চারজন, ওয়ার্কার্স পার্টির একজন এবং একজন স্বতন্ত্র প্রার্থী রয়েছেন। এ ব্যাপারে ইসির যুগ্মসচিব ও রিটার্নিং কর্মকর্তা আবুল কাসেম বলেন, ‘সংরক্ষিত ৪৯টি নারী আসনের কোনোটিতে একাধিক প্রার্থী না থাকায় তারা সবাই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। ’

রিটার্নিং কর্মকর্তা জানান, নির্বাচিতদের চূড়ান্ত তালিকা রোববার টানিয়ে দেওয়া হবে। একইসঙ্গে নির্বাচতদের গেজেট প্রকাশের জন্য আগামীকাল নির্বাচন কমিশন সচিবকে চিঠি দেওয়া হবে। পরে কমিশন থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে গেজেট প্রকাশ করা হবে।

বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত নারী সংসদ সদস্যরা হলেন—আওয়ামী লীগ থেকে  ঢাকার শিরীন আহমেদ, জিন্নাতুল বাকিয়া, শবনম জাহান শিলা, সুবর্ণা মুস্তাফা ও নাহিদ ইজহার খান, চট্টগ্রামের খাদিজাতুল আনোয়ার ও ওয়াশিকা আয়েশা খানম, কক্সবাজারের কানিজ ফাতেমা আহমেদ, খাগড়াছড়ির বাসন্তি চাকমা, কুমিল্লার আঞ্জুম সুলতানা ও এ্যারোমা দত্ত, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার উম্মে ফাতেমা নাজমা বেগম, গাজীপুরের শামসুন্নাহার ভূঁইয়া ও রুমানা আলী, বরগুনার সুলতানা নাদিরা।

জামালপুরের মিসেস হোসনে আরা, নেত্রকোণার হাবিবা রহমান খান ও জাকিয়া পারভীন খানম, পিরোজপুরের শেখ এ্যানী রহমান, টাঙ্গাইলের অপরাজিতা হক ও খন্দকার মমতা হেনা লাভলী, সুনামগঞ্জের শামীমা আক্তার খানম, মুন্সীগঞ্জের ফজিলাতুন্নেছা, নীলফামারীর রাবেয়া আলী, নরসিংদীর তামান্না নুসরাত বুবলী, গোপালগঞ্জের নার্গিস রহমান, ময়মনসিংহের মনিরা সুলতানা, ঝিনাইদহের খালেদা খানম, বরিশালের সৈয়দা রুবিনা মিরা, পটুয়াখালীর কানিজ সুলতানা।

খুলনার অ্যাডভোকেট গ্লোরিয়া ঝর্ণা সরকার, দিনাজপুরের জাকিয়া তাবাসসুম, নোয়াখালীর ফরিদা খানম সাকী, ফরিদপুরের রুশেমা বেগম, কুষ্টিয়ার সৈয়দা রাশেদা বেগম, মৌলভীবাজারের সৈয়দা জোহরা আলাউদ্দিন, রাজশাহীর আদিবা আনজুম মিতা, চাঁপাইনবাবগঞ্জের ফেরদৌসী ইসলাম জেসী, শরিয়তপুরের পারভীন হক শিকদার, রাজবাড়ীর খোদেজা নাসরীন আক্তার হোসেন, মাদারীপুরের তাহমীনা বেগম, পাবনার নাদিয়া ইয়াসমিন জলি ও নাটোরের রত্না আহমেদ।

এছাড়া জাতীয় পার্টি মনোনীত অধ্যাপিকা মাসুদা এম রশিদ চৌধুরী, অ্যাডভোকেট সালমা ইসলাম, অধ্যক্ষ রওশন আরা মান্নান ও নাজমা আকতার এবং ওয়ার্কার্স পাটির মনোনীত প্রার্থী লুৎফুন নেসা খান ও স্বতন্ত্র সেলিনা ইসলাম বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় এমপি নির্বাচিত হয়েছেন।

প্রসঙ্গত, একাদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের এর মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন ছিল ১১ ফেব্রুয়ারি।  ১২ ফেব্রুয়ারি  মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শুরু হয়।  মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন ১৬ ফেব্রুয়ারি।


Shares