প্রচ্ছদ


বিএনপি মুজিবনগর দিবস পালন করে না : তথ্যমন্ত্রী

18 April 2019, 11:16

নিজস্ব প্রতিবেদক
This post has been seen 372 times.

তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, , ‘বিএনপি মুজিবনগর দিবস পালন করে না। কিন্তু জিয়াউর রহমান মুজিবনগর সরকারের বেতনভূক কর্মচারি হিসেবেই মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন। এ থেকেই প্রশ্ন জাগে, তারা দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বে কতটুকু বিশ্বাসী।
তিনি বলেন’বিএনপির সংসদে যাওয়ার সিদ্ধান্ত হবে ইতিবাচক। জনগণ প্রার্থীকে ভোট দেয় সংসদে যাবার জন্য, শপথ না নেবার জন্য নয়। তাদের সংসদে যোগদানকে দেশবাসী স্বাগত জানাবে। আমরাও স্বাগত জানাই। জনগণের প্রতি সম্মান জানিয়ে গণতন্ত্রের স্বার্থে, দেশের স্বার্থে তাদের সংসদে যোগ দেওয়া উচিত।’
বুধবার সকালে মুজিবনগর দিবস উদযাপন উপলক্ষে রাজধানীতে ধানমন্ডির বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরে জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘১৭ এপ্রিল ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের প্রথম সরকার শপথ গ্রহণ করে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে রাষ্ট্রপতি, সৈয়দ নজরুল ইসলামকে উপ-রাষ্ট্রপতি ও তাজউদ্দীন আহমদকে প্রধানমন্ত্রী করে নতুন সরকার গঠন করা হয়।’
‘এই সরকারের নেতৃত্বেই মুক্তিযুদ্ধ পরিচাললিত হয়, এই সরকারই বিভিন্ন সেক্টরে কমান্ডার নিয়োগ করে’ উল্লেখ করে ড. হাছান বলেন, ‘জিয়াউর রহমান এই নিয়োগকৃত সরকারি বেতনভূক সেক্টর কমান্ডারদেরই একজন হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। কিন্তু বিএনপি মুজিবনগর দিবস পালন করে না। এ থেকেই প্রশ্ন জাগে, তারা দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বে কতটুকু বিশ্বাসী।’

বিজ্ঞাপনমুক্ত বিদেশি চ্যানেল প্রচার ও ডিজিটাল পদ্ধতি প্রয়োগ করুন
কেবল অপারেটরদের বিজ্ঞাপনমুক্ত বিদেশি চ্যানেল প্রচার ও ডিজিটাল পদ্ধতি প্রয়োগে ব্রতী হবার আহ্বান জানিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। সেইসাথে বেআইনীভাবে নেটওয়ার্কের মাধ্যমে বিজ্ঞাপন, সিনেমা, গান ইত্যাদি প্রচার না করার বিষয়ে সকল অপারেটরকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান মন্ত্রী।
বুধবার দুপুরে সচিবালয়ে তথ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে কেবল অপারেটরদের সাথে বৈঠকে মন্ত্রী এ বিষয়ে নির্দেশনা দেন। তথ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব আবদুল মালেক ও অতিরিক্ত সচিব মিজান-উল-আলম এসময় উপস্থিত ছিলেন।
মন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশে আইনগতভাবে কেউ বিদেশি চ্যানেলে বিজ্ঞাপন প্রদর্শন করতে পারে না। ইতিমধ্যেই আমরা এ ব্যাপারে কিছু ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি। ডাউলিংকের অনুমতি যারা পেয়েছেন তাদেরকে নোটিশ করা হয়েছে, তারা নোটিশের জবাব দিয়েছেন। কিছু ব্যবস্থা তারা ইতিমধ্যেই গ্রহণ করা হয়েছে। বাকি ব্যবস্থা কতটো কিভাবে করবেন এ ব্যাপারে তারা ১৫ দিন সময় চেয়েছেন এবং আমরা সেই সময় মঞ্জুর করেছি।’
ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ‘ডাউনলিংক করা চ্যানেল বিতরণকারীদের বক্তব্য হচ্ছে ক্যাবল নেটওয়ার্ক যারা পরিচালনা করে তাদেরও কিছু ভূমিকা রয়েছে। যাতে সমগ্র দেশে বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী এই আইনটি শুধু বাংলাদেশে আছে তা নয়, পাকিস্তানে, ভারতে বা ইউরোপের দেশগুলোতে যে সমস্ত বিদেশি চ্যানেল দেখানো হয় সেগুলো ভিনদেশের বিজ্ঞাপন ছাড়াই দেখানো হয়। বাংলাদেশের কোনো চ্যানেলও অন্যদেশে বিজ্ঞাপন প্রদর্শন করতে পারে না। আমাদের দেশে সেটি মানা হচ্ছিল না। আমারা সেই আইন প্রয়োগ করার উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। দুটি প্রতিষ্ঠানকে আমরা চিঠি দিয়েছি, তাদের বক্তব্য হচ্ছে, এই ক্ষেত্রে ক্যাবল নেটওয়ার্ক যারা পরিচালনা করেন তাদেরও কিছু ভূমিকা রয়েছে। সে বিষয়ে আপনাদের তৎপর হতে হবে।’
তথ্যমন্ত্রী পর্যায়ক্রমে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই দেশের সকল জেলার কেবল টিভি নেটওয়ার্ক ডিজিটাল পদ্ধতির আওতায় আনা এবং বাংলাদেশের চ্যানেলগুলোকে তাদের ফ্রিকোয়েন্সি পাবার ক্রম অনুযায়ী কেবল নেটওয়ার্ককে সম্প্রচারের নির্দেশনা দেন। অতিশীঘ্রই টেলিভিশন মালিকদের সংগঠন এ্যাটকো কেবল অপারেটরদেরকে বাংলাদেশি টিভি চ্যানেলের ক্রম তালিকা পুণরায় সরবরাহ করবে, বলেন মন্ত্রী।
কেবল অপারেটর এসোসিয়েশন অভ্ বাংলাদেশ (কোয়াব) এর সাবেক কমিটির প্রধান আনোয়ার পারভেজের নেতৃত্বে নিজাম উদ্দিন মাসুদ, এবিএম সাইফুল হোসাইন, সেলিম সারোয়ার প্রমুখ বৈঠকে অংশ নেন।



Shares